কঠিন মনোবল নিয়ে হাঁটছে স্বপ্নের পথে। তাসনীম মীম

0
216

আনন্দ বিনোদন ডেস্ক ঃ যখনই কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করতো তুমি বড় হয়ে কি হবা? ডাক্তার নাকি ইঞ্জিনিয়ার? আমি উত্তর দিতাম অলরাউন্ডার। তবে গানের নেশাটা পেয়ে বসেছিলো ব্যাপকভাবে। তৃতীয় শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় প্রথম গান শেখার শুরু হয়েছিলো।তবে বড় পরিসরে কিছু করবো সেই স্বপ্ন দেখতে সময় লেগেছিলো বেশ। কারন স্বপ্ন দেখলে একটু বড় করেই দেখতে হয়। আর স্বপ্ন পুরন করতে প্রয়োজন হয় সাধনা এবং সময়। আমার পরিবার থেকে তেমন কোনো সাপোর্ট ছিলো না। কখনো স্কুল পালিয়ে কখনো কোচিং ফাঁকি দিয়ে গান করতে চলে গিয়েছি। বয়স কম ছিলো। অনেক সময় টাকা পয়সাও ছিলো না।ভয়ে আব্বু- আম্মুকে বলতে পারতাম না। অনেকবার হেঁটেই স্টুডিও গিয়েছি। সবসময় পড়াশোনা ঠিক রাখতে হয়েছে৷ রেজাল্ট খারাপ করলে গান করতে দিবে না এই ভয়ে। এসএসসি এবং এইচএসসি তে বোর্ড প্লেস করেছি।

বর্তমানে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে তড়িৎকৌশল বিভাগে পড়াশোনা করছি। এ বছরই আমার ৪ টি গান রিলিজ হয়েছে। রিলিজের পর ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। শ্রোতারা ভালোবেসেছে এ এক বিশাল পাওয়া। আরো গানের কাজ চলছে। কাজে সবচেয়ে অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল স্যার। গান নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও টুকটাক অভিনয় আর ফটোশুট করছি।কিছুদিন আগে সরকারি একটি ওভিসি তে কাজ করলাম। নিয়মিত কাজ করে যাবো। সবশেষে এটাই বলবো, সাহস ছিলো বলেই এগিয়ে যেতে পেরেছি। চলার পথে বাঁধা আসবেই।জীবনে কষ্ট পেয়েছি অনেক। তবে কষ্ট আড়াল করে হাসি দেয়া অনেক কঠিন।আমাদের সেই কঠিন কাজটা করতে হয়। এ জন্যই আমরা শিল্পী। আশা করছি সকল কঠিন পরিস্থিতি সামলে এগিয়ে যেতে পারবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here