সরকারি ভাবে সকল সিন্ডিকেট ভেঙে নতুন করে সাজালে আলোর মুখ দেখবে বিএফডিসি

0
75

এস.এ.এম সুমন ,সম্পাদক,পাক্ষিক  আনন্দ বিনোদন : কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা বানী দিয়েই শুরু করা যাক তিনি বলেছেন “একটি দেশে খাদ্যের অভাবে কেও মরেনা, আনন্দের অভাবে মানুষের মৃত্যু হয়” আমাদের দেশে একমাত্র বিনোদন মাধ্যম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্প সংস্থা দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থায় পরে আছে। যদিও এখন দেশে অনেক টিভি চ্যনেল ও সোশ্যাল মিডিয়ার বদৌলতে, বিনোদনের খোঁড়াক জোগানোর জন্য সেইদিকে ঝোঁকে পরেছে এর এক মাত্র কারন নিন্মমানের সিনেমা নির্মাণের কারনে।একটি দেশের চলচ্চিত্র শিল্প দেশের শিল্প-সংস্কৃতি বিকাশের একটি প্রধান মাধ্যম। সুস্থধারার শিল্প মানসম্মত চলচ্চিত্র যেমন দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে ভূমিকা রাখে তেমনি দেশকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করে দেয়।  তার জলন্ত উদাহরণ তামিলনাড়ু বর্তমানে বলিউড কে পেছনে ফেলা একক অধিপত্যে বিস্তার ঘটিয়ে যাচ্ছে একের পর এক সিনেমা নির্মাণ করে। আমাদের দেশে জাতীয় বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম  বিএফডিসি, সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে  বর্তমান যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় থেকে ফিরিয়ে আনতে সুষ্ঠুধারার চলচ্চিত্র ভূমিকা রাখতে পারে। কেননা চলচ্চিত্র যেমন একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য শক্তিশালী বিনোদন মাধ্যম তেমনি ভালো চলচ্চিত্র মানুষের সুকুমার বৃত্তিগুলোকে জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করে। শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র চরিত্র গঠনেও রাখতে পারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। তাই আজকের বাংলাদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতারা তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি মাথায় রেখে দেশের শিল্প-সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যে সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণে তৎপর হলে ক্রমশ ভালো সিনেমা দেখার দর্শকও তৈরি হবে। চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালকসহ সিনেমা শিল্পের সঙ্গে জড়িত সব কলাকুশলী আর্থিক লাভবান হবেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও রাখবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। আর এ-র সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কলাকৌশলীরাও নিয়মিত কাজে সময় দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র কে নিয়ে যাবে অনেকদূর। সেজন্য প্রয়োজন সরকারি ভাবে একটু সহযোগিতা। সেই সাথে বিএফডিসির সকল সিন্ডিকেট  ভেঙে ঢেলে সাজানো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here