সাজে বর্ণে দূর্গা পূজা

0
320
মডেলঃ শর্মি ইসলাম, যাইন প্যারিস, শ্রাবণী, মেকআপ এবং কোরিওগ্রাফিঃ ইয়াম্মি নুসরাত, ফটোগ্রাফিঃ ইভান গালিব

আনন্দ বিনোদন ডেস্ক : বছর ঘুরে আবারো এলো দুর্গা পূজা। চারিদিকে সাজ সাজ রব। বাঙালি নারীদের এই পূজাকে ঘিরে রয়েছে সুদীর্ঘ পরিকল্পনা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসবটিকে কেন্দ্র করে একেকজন নারী আটপৌরে বাঙালির সাজে সেজে ওঠে। আর তাই বাঙ্গালি নারীর আকর্ষণীয় পূজার সাজ নিয়ে আজকের পরিবেশনা- ‘দুর্গা পূজার সাজ –

মেকআপ – দুর্গা পূজার সাজ অনেকটাই নির্ভর করে পূজার সময়ের উপর। দিনের বেলার পূজার জন্য অবশ্যই আপনাকে নিতে হবে একটি নমনীয় লুক। মেকআপ শুরুর আগে আপনাকে অবশ্যই মুখটি ভালো মতো ধুয়ে ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করতে হবে। এতে আপনার স্কিন-এ ভালো মতো মেকআপ বসবে। শুরুতেই কনসিলার ব্যবহার করতে হবে। এতে করে মুখে যদি কোন দাগ থাকে, তা ঢাকা পড়ে যাবে। এরপর একটি ভালো ব্র্যান্ডের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে ইভেনলি মেকআপ বসাতে হবে।

দুর্গা পূজা ইন্সপায়ার্ড লুক-এর জন্য চোখের গুরুত্ব অপরিসীম। বাঙালি নারীর চোখ নিয়ে অনেক কবিই লিখেছেন কালজয়ী কাব্য। তাই চোখকে সাজিয়ে তুলতে হবে আকর্ষণীয় করে। চোখের শেডস এবং ন্যাচারাল শেপ ফুটিয়ে তুলতে নিউট্রাল  আইশ্যাডো  ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর আইলাইনার  অথবা কাজল ব্যবহার করে চোখটি এমন ভাবে আঁকতে হবে যাতে চোখ দুটি দেখতে বড় মনে হয়। আপনি চাইলে আইলিডে ব্যবহার করতে পারেন শিমারি আইশ্যাডো। সব শেষে লাল  লিপস্টিক  এবং লাল টিপ দিয়ে শেষ করুন পূজার বাঙালিয়ানা লুক। রাতের বেলার পূজার জন্য আপনি নিতে পারেন হেভি মেকআপ, আর এক্ষেত্রে  মেকআপ ব্রাশ  দারুন কাজে লাগতে পারে। বেস মেকআপটি একদম দিনের বেলার বেস মেকআপ এর মতোই হবে। চোখের জন্য ব্যবহার করতে পারেন কপার, গোল্ড অথবা বার্গেন্ডি শ্যাডো। বোল্ড লুকের জন্য নিতে পারেন স্মোকি আই মেকআপ। বেশ মোটা করে পুরো চোখটি এঁকে নিন আইলাইনার অথবা কাজল দিয়ে। এরপর লাল লিপস্টিক দিয়ে ঠোঁটযুগল করে তুলুন আকর্ষণীয় এবং মুখে হাইলাইটার ব্লাশ দিয়ে মেকআপ শেষ করুন।

হেয়ারস্টাইল – আপনি যে হেয়ারস্টাইলটি করতে চান, সেটা অবশ্যই নির্ভর করবে আপনার সামগ্রিক বেশভূষা এবং মুখের আদলের উপর। কিন্তু আপনি যদি একটু ঝামেলাহীন থাকতে চান, তাহলে করে নিতে পারেন একটি হেয়ার বান। একটু অন্যরকম লুক পেতে করতে পারেন মেসি বান, ফ্রেঞ্চ ব্রেইড, ডাচ ব্রেইড। আর চুল বাঁধা যদি একদমই পরিহার করতে চান, চুলগুলো খোলা ছেড়ে দিতে পারেন।

বেশভূষা–  বাঙালি নারীর পূজার সাজকে পরিপূর্ণ করে দিতে পারে আটপৌরে লাল পেড়ে সাদা শাড়ি। যদি গতানুগতিক সাজ অনুসরণ করতে না চান, তাহলে পরিধান করতে পারেন কমলা হলুদ কিংবা সবুজ রঙের শাড়ি। বিভিন্ন ধরণের শাড়ী থেকে বেছে নিতে পারেন যেকোনো কটন, সিল্ক কিংবা  কাতান

শাড়ি  সহ  সালোয়ার কামিজ  কিংবা উৎসবের রঙ এর সাথে মানানসই অন্য যেকোন পোশাক। তরুণীরা  শাড়ি  পরতে না চাইলে ট্রাই করতে পারেন কুর্তি।

দূর্গা পূজায় বিরাজ করুক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসব হোক সার্বজনীন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here