সৌন্দর্য পিপাসুদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে পদ্মবিল

0
375

 হবিগঞ্জ শহরতলীতে সৌন্দর্য পিপাসুদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছে পদ্মবিল। পদ্মবিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়।

ইতোমধ্যে যাদের জমিতে পদ্মবিলটি গড়ে উঠেছে, তাদেরকে বিকল্প কর্মসংস্থানের আওতায় এনে বিলটি সংরক্ষণের চিন্তা করছেন জেলা প্রশাসক। এ লক্ষ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের কাছ থেকে ফি সংগ্রহ করা যায় কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের মুড়ারআব্দা গ্রামের পাশে প্রায় ১৫ একর জমিতে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে এই পদ্মবিল। এর মধ্যে বিলের জায়গা মাত্র ১ একর। বাকিটুকু ধানী জমি। মুড়ারআব্দাসহ আশপাশের গ্রামের লোকজন শুকনো মৌসুমে এসব জমিতে বোরো আবাদ করে থাকেন। বর্ষায় পানি আসলে এসব জমিতেই ফুটে পদ্ম। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পদ্মবিলের খবর ছড়িয়ে পড়লে ভিড় বাড়তে থাকে দর্শনার্থীদের।

তবে বিলের সৌন্দর্য দেখে ফেরার পথে ইচ্ছেমতো ফুল ছিড়ে নিয়ে আসার ঘটনায় দেখা দেয় বিরূপ প্রতিক্রিয়া। এ ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হলে তা প্রশাসনের নজরে আসে। শুধু তাই নয় তা নজর এড়ায়নি সৌন্দর্য পিপাসুদের। বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ স্বপরিবারে পদ্মবিলের সৌন্দর্য উপভোগ করে আসেন। পদ্মবিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে যান হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি বৃন্দাবন কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তবে তাদের পদ্মবিল দর্শন আর দশজন পর্যটকের মত নয়। তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে পদ্মফুল, ফল থেকে শুরু করে সবকিছু। শুধু তাই নয় তারা নিয়ে এসেছে গাছ। যেটি লাগানো হবে কলেজের পুকুরে। তাদের ইচ্ছা কলেজের পুকুরটিও ভরে ফেলবে পদ্মফুল দিয়ে।

পদ্মবিলের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি নিজেদেরও জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের একটি টিম পদ্মবিল পরিদর্শন করে। উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুভাষ চন্দ্র দেব এর নেতৃত্বে কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এই বিল দেখে মুগ্ধ হন। তবে তারা কেউ যাতে ফুল ছিড়ে না নেয় তার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here