আনন্দ বিনোদন ডেস্ক: গ্রীষ্ম এলেই বাজারজুড়ে দেখা মেলে কাঁচা আমের। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফল শুধু আচার বা ডালেই নয়, নানা ধরনের মুখরোচক রান্নাতেও যোগ করে আলাদা মাত্রা। ভিন্ন স্বাদের কিছু রেসিপি নিয়ে এসেছেন শেফ আলিফ রিফাত, যা সহজেই ঘরে তৈরি করা সম্ভব।
কাঁচা আম দিয়ে তৈরি করা যায় দারুণ স্বাদের সজনে-পাবদা মাছের ঝোল। এই রান্নায় পাবদা মাছের সঙ্গে সজনে, সরিষা বাটা ও কাঁচা আমের টক স্বাদ এক অনন্য ঘ্রাণ তৈরি করে। সরিষার তেলে কালিজিরা ও শুকনা মরিচের ফোড়ন দিয়ে মসলাগুলো কষিয়ে সজনে সেদ্ধ করতে হয়। পরে মাছ, আম ও সরিষা বাটা দিয়ে ঢেকে রান্না করলে তৈরি হয় মাখামাখা সুস্বাদু ঝোল, যা গরম ভাতের সঙ্গে খেতে বেশ উপভোগ্য।
গরমের দুপুরে আমের টক হতে পারে ভাত, খিচুড়ি কিংবা পরোটার চমৎকার সঙ্গী। কাঁচা আম, চিনি, লবণ ও সামান্য হলুদ দিয়ে আম সেদ্ধ করে নিতে হয়। আলাদা পাত্রে সরিষার তেলে শুকনা মরিচ, পাঁচফোড়ন ও রসুন ভেজে সেই সেদ্ধ আমের সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হয় টক-মিষ্টি স্বাদের এই পদ। চাইলে এতে বিট লবণ যোগ করে স্বাদ আরও বাড়ানো যায়।
অন্যদিকে বিকেলের নাশতায় ভিন্ন কিছু চাইলে তৈরি করা যেতে পারে পুরভরা খাট্টামিঠা ঢ্যাঁড়শ ভাজা। ঢ্যাঁড়শের ভেতরের অংশ ফাঁকা করে সেখানে কাঁচা আম, পেঁয়াজ, ধনিয়া পাতা, কাঁচামরিচ ও তেঁতুলের চাটনি দিয়ে তৈরি পুর ভরে নিতে হয়। এরপর ময়দার ব্যাটারে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যায় মচমচে ও টক-ঝাল স্বাদের অনন্য খাবার।
এ সময়ের জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে পোড়া কাঁচা আমের শরবতের কদরও কম নয়। চুলায় পুড়িয়ে নেওয়া কাঁচা আমের পাল্পের সঙ্গে জিরা গুঁড়া, পোড়া শুকনা মরিচ, চিনি, বিট লবণ ও বরফ মিশিয়ে ব্লেন্ড করলেই তৈরি হয়ে যায় প্রশান্তিদায়ক শরবত। পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করলে গরমে এনে দেবে বাড়তি স্বস্তি।
আপনার মতামত লিখুন :